Powered by Blogger.

Followers

Showing posts with label জরিপ. Show all posts
Showing posts with label জরিপ. Show all posts

যুক্তরাষ্ট্রে ৪ কোটি ৬২ লাখ মানুষ দরিদ্র

যুক্তরাষ্ট্রে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৬২ লাখ। এই হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে প্রতি ৬ জনের মধ্যে ১ জন মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনগণনা ব্যুরোর বার্ষিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিবিসি এ তথ্য জানায়।

২০১০ সালের ওই তথ্য অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রে দরিদ্রের হার বেড়ে ১৫ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে। ২০০৯ সালে এ হার ছিল ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ।

১৯৮৩ সালের পর দেশটিতে বর্তমান সময়েই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে।
তবে ১৯৯৩ সালেও সমসংখ্যক মার্কিনি দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করতো।

দেশটিতে দরিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারীর সংখ্যা প্রতি চার বছরে বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে চার সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিবারের বার্ষিক আয় ২২ হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলার অথবা তার কম হলে সেই পরিবারটিকে দরিদ্র বলে বিবেচনা করা হয়।

এছাড়া একক কোনো ব্যক্তির আয় বছরে ১১ হাজার ১৩৯ মার্কিন ডলার হলে সেও দরিদ্র বলে গণ্য হবে।
ওই তথ্যে আরো বলা হয়েছে, কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিকদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার অন্য মার্কিনিদের চেয়ে বেশি।

কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে ২৭ দশমিক ৪ এবং হিস্পানিকদের ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ দরিদ্র।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

রাজধানীতে ভিক্ষুক জরিপ


ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- দুই হাজার ভিক্ষুককে পুনর্বাসন করতে শুক্রবার রাজধানীতে একটি জরিপ চালাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

ভিক্ষুক পুনর্বাসন সেলের প্রধান (যুগ্ম সচিব) গাজী মোহাম্মদ জুলহাস বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর ১০টি এলাকার ৪০০ স্পটে এই জরিপ চালানো হবে।

তবে এর মাধ্যমে রাজধানীতে ভিক্ষুকের সংখ্যা জানা যাবে না। জরিপ শেষে দুই হাজার ভিক্ষুককে পুর্নবাসিত করাই এর লক্ষ্য।

গাজী জুলহাস জানান, প্রতিটি স্পটে এক জন করে তথ্য সংগ্রহকারী এবং এক জন ক্যামেরাম্যান থাকবেন। তথ্য সংগ্রহকারীরা ভিক্ষুকদের তথ্য নেবেন এবং ক্যামেরাম্যান ছবি তুলে রাখবেন, যাতে পরে তাদের চিহ্নিত করা যায়।

এছাড়া প্রতি তিনটি জরিপ দলের কাজ তদারকে একজন করে সুপারভাইজার থাকবেন। আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে এই জরিপের ফল প্রকাশ করা হবে।

১০টি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) মাধ্যমে এই জরিপ চালানো হবে। এনজিওগুলো হলো- হিতৈষী বাংলাদেশ, আর্স বাংলাদেশ, অপরাজেয় বাংলাদেশ, জনসেবা কেন্দ্র, অ্যাসোসিয়েশন ফর রিনোভেশন অফ কমিউনিটি হেলথ এডুকেশন সার্ভিস, কান্ট্রি ভিশন, বেডো, সমাজকল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা, ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ও বিআরসিটি।

জুলহাস জানান, প্রতিটি এনজিও একটি করে এলাকার দায়িত্বে থাকবে এবং সর্বোচ্চ এক হাজার ভিক্ষুকের তথ্য সংগ্রহ করবে। অর্থাৎ, ১০টি এনজিও মোট ১০ হাজার ভিক্ষুকের তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

এ কাজে প্রতিটি এনজিওকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে যুগ্ম সচিব বলেন, "ভিক্ষুক জরিপে মোট খরচ হচ্ছে ২৪ লাখ টাকা।"

গত ১১ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ এই ভিক্ষুক জরিপ করার ঘোষণা দেন।

ঢাকার জরিপ ঠিকমতো শেষ হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ভিক্ষুক জরিপ পরিচালনা করা হবে বলে গাজী জুলহাস জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Facebook Twitter RSS